২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
বিশ্ব
এপস্টিন কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন, ঘণ্টাখানেক পর জামিনে মুক্ত

image

জেফরি এপস্টিন কেলেঙ্কারির জেরে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক। গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন।

যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী লেবার নেতা ও সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন জেফরি এপস্টিন কেলেঙ্কারিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পরই জামিনে মুক্তি পান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিন-এর সঙ্গে সম্পর্ক ঘিরে ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে নানা অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার লন্ডনে নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Metropolitan Police তাদের নীতিমালা অনুযায়ী সরাসরি নাম উল্লেখ না করে জানায়, ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ‘সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে অসদাচরণের সন্দেহে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তদন্তে সহযোগিতার শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম The Times-এ প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সাদাপোশাকের এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে গাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ম্যান্ডেলসনকে। এছাড়া BBC জানিয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় রাত দুইটার দিকে তাকে লন্ডনের বাসভবনে ফিরতে দেখা গেছে।

ম্যান্ডেলসন লেবার পার্টির দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন-এর আমলে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছর এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টিন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করলে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। নথিতে থাকা ই-মেইলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, দুজনের সম্পর্ক ধারণার চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ছিল।

চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন ম্যান্ডেলসন। একইসঙ্গে হাউস অব লর্ডসের সদস্য পদও ছেড়ে দেন। এর আগে তিনি এপস্টিনের সঙ্গে অতীত সম্পর্কের জন্য ‘গভীরভাবে অনুতপ্ত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।


পিটার ম্যান্ডেলসনের গ্রেপ্তার ও পরবর্তী জামিন যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এখন সবার নজরে।














অনলাইন ডেস্ক

ভিডিও
Comments:
Sponsered Ad
Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement

loading