০৩ মার্চ ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
বিশ্ব
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে আমেরিকানদের জরুরি নির্দেশ

image

মধ্যপ্রাচ্যে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি। সৌদি আরব, কাতারসহ ১৫টির বেশি দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরে যাওয়ার আহ্বান।

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা ও ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সব মার্কিন নাগরিককে অবিলম্বে দেশত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে United States Department of State।

সোমবার জারি করা সর্বশেষ সতর্কতায় বলা হয়েছে, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে যত দ্রুত সম্ভব এলাকা ত্যাগ করা উচিত। নির্দেশনাটি প্রযোজ্য হয়েছে Saudi Arabia, Qatar, Bahrain, Egypt, Iran, Iraq, Israel, Jordan, Kuwait, Lebanon, Oman, United Arab Emirates, Syria ও Yemen-সহ একাধিক দেশের ক্ষেত্রে।

এক বিবৃতিতে কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরা নামদার বলেন, চলমান সংঘাত পরিস্থিতিতে ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে এবং মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

জর্ডানের আম্মানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস হুমকির কারণে তাদের কিছু কর্মীকে কূটনৈতিক স্থাপনা থেকে সরিয়ে নিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন একটি আন্তঃসংস্থা জরুরি টাস্ক ফোর্সও সক্রিয় করেছে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় বলে জানানো হয়েছে। এ সংঘাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

Donald Trump জানিয়েছেন, সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, যদিও পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুট Strait of Hormuz দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

হরমুজ প্রণালী বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হওয়ায় এ হুমকি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন নাগরিকদের দেশত্যাগের আহ্বান পরিস্থিতির গুরুত্বই তুলে ধরছে। ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা যদি দ্রুত প্রশমিত না হয়, তবে তা আঞ্চলিক যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।














অনলাইন ডেস্ক

ভিডিও
Comments:
Sponsered Ad
Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement

loading