০৬ জুন ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলাদেশ
মে মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ প্রাণহানি

image

নিসচার প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র; ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৬৫ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি সিলেট জেলায়, সবচেয়ে কম মৌলভীবাজারে।

সিলেট বিভাগে গত মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২০ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী রয়েছেন। একই সময়ে বিভাগজুড়ে ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬৫ জন।

শনিবার (৬ জুন) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে সিলেট জেলায়। এছাড়া ঈদ যাত্রাকালে সংঘটিত ৯টি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন।

নিসচার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু প্রতিবেদনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে সিলেট জেলায় ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন। সুনামগঞ্জ জেলায় ১৩টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। হবিগঞ্জ জেলায় ৭টি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে মৌলভীবাজার জেলায় ৫টি দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ১৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২০ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৬টি দুর্ঘটনায় ১১ জন সিএনজি ও টমটম চালক-আরোহী এবং ৯ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনায় ৭ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন এবং গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

মে মাসে নিহত ৫১ জনের মধ্যে ৩৯ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৬ জন শিশু ছিলেন।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চালকদের বেপরোয়া গতি, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, নিয়ম না মেনে ওভারটেকিং, মোটরসাইকেল আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের অসচেতনতা এবং সড়ক নির্মাণ ত্রুটিকে দায়ী করা হয়েছে।

নিসচার মতে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমিয়ে আনা কঠিন হবে। উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসে সিলেট বিভাগে ১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছিলেন। মে মাসে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।














অনলাইন ডেস্ক

ভিডিও
Comments:
Sponsered Ad
Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement

loading