০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০ মাঘ ১৪৩২
বাংলাদেশ
শক্তিশালী ভূমিকম্পে সাত বিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সাবস্টেশন বন্ধ: বিপিডিবির সতর্কতা

image

শুক্রবার সকালে অনুভূত শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাতটি বড় ও ছোট আকারের বিদ্যুৎকেন্দ্র হঠাৎ বন্ধ (ট্রিপ) হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ঘোড়াশালের একটি গ্রিড সাবস্টেশন অগ্নিকাণ্ডের কারণে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকায় জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি বলে জানান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও পিজিসিবি কর্মকর্তারা।

বিপিডিবির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের পর সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া একটি সাবস্টেশনের ২৩০ কেভি, ১৩২ কেভি ও ৩৩ কেভি লাইন বন্ধ রয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরও কিছু সময় লাগবে এবং অন্যান্য কেন্দ্রের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।


বিপিডিবির পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, সামিটের বিবিয়ানার ৩৪১ মেগাওয়াট কেন্দ্র ও বিপিডিবির বিবিয়ানা-৩ (৪০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়েছে। আশুগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট, ৫৫ মেগাওয়াট ও ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তিনটি ইউনিটও উৎপাদন বন্ধ করেছে। চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ারের ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট এবং সিরাজগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রের ৭৫ মেগাওয়াটের একটি ইউনিটও ট্রিপ করেছে।

বিপিডিবির কর্মকর্তারা জানান, ভূমিকম্পের প্রভাবে আরও কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে চাহিদা কম থাকায় লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে।

বিপিডিবির পরিচালক (জনসংযোগ) শামীম হাসান জানান, ভূমিকম্পের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও বিতরণ ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। দ্রুত স্বাভাবিক করতে কাজ অব্যাহত রয়েছে।


ভূমিকম্পের প্রভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হলেও জাতীয় গ্রিড বড় কোনো বিপর্যয়ে না পড়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে।









অনলাইন ডেস্ক

ভিডিও
Comments:
Sponsered Ad
Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement

loading