সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি। বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন এক বিবৃতিতে ওসমান হাদির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহীদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়। এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে লেখেন,
‘আমাদের ভাই হাদি রওনা দিয়েছেন অনন্তের পথে। আবরার, আবু সাঈদদের মতো হাদি না থেকেও আরও বেশি করে থাকবেন বাংলাদেশের বুকে। ইউ ফেইলড টু কিল ওসমান হাদি!’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
একাধিক অস্ত্রোপচার ও উন্নত চিকিৎসার পরও শেষ পর্যন্ত জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে হার মানলেন শরিফ ওসমান হাদি। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, সহকর্মী ও অনুসারীদের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক
Comments: