এখন থেকে সব ধরনের যানবাহন প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে, পাম্পগুলোতে স্বস্তি ফেরার আশা। দীর্ঘ নয় দিন পর সারা দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং পদ্ধতি পুরোপুরি তুলে নিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে, ফলে এখন আর তেল সংগ্রহে কোনো নির্দিষ্ট সীমা থাকছে না।
দেশের পরিবহন খাত ও সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর দিয়ে জ্বালানি তেল কেনায় চালু থাকা রেশনিং পদ্ধতি তুলে নিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে সারা দেশের সব পেট্রোল পাম্পে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
এর ফলে এখন থেকে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনের চালকরা প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। তেল কেনার ক্ষেত্রে আর কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত ৬ মার্চ থেকে দেশে তেল বিক্রিতে রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছিল সরকার।
রেশনিং চালুর সময় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে রাইডশেয়ারিং চালকদের সুবিধার জন্য এই সীমা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়।
এছাড়া এসইউভি ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার এবং দূরপাল্লার ভারী যানবাহনের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এই বিধিনিষেধের কারণে পরিবহন খাতে কিছুটা স্থবিরতা ও ভোগান্তি তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে আমদানিকৃত তেলের চালান দেশে পৌঁছানো এবং মজুত সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকায় এখন আর রেশনিং ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই।
পাম্প মালিকদের মতে, রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস ও মালবাহী ট্রাকের চালকরা এখন পর্যাপ্ত জ্বালানি নিয়ে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক
Comments: